৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬ , ১৪ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬

বাংলাদেশ-জার্মান চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (বিজিসিসিআই)

প্রেস বিজ্ঞপ্তি
আপলোড সময় : ২০-০৯-২০২৬
বাংলাদেশ-জার্মান চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (বিজিসিসিআই)


আজ ঢাকায় তাদের কার্যালয়ে জার্মানিতে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত জনাব মুহাম্মদ জুলকার নাইন-এর সঙ্গে একটি উচ্চপর্যায়ের ব্যবসায়িক আলোচনার আয়োজন করেছে।

অনুষ্ঠানে বিজিসিসিআইয়ের পরিচালনা পর্ষদের সদস্যবৃন্দ, বিজিসিসিআইয়ের একজন সাবেক সভাপতি এবং বিজিসিসিআইয়ের সদস্যভুক্ত বিভিন্ন কোম্পানির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) ও ঊর্ধ্বতন প্রতিনিধিরা অংশ নেন। এসব প্রতিষ্ঠানের মধ্যে বাংলাদেশে কার্যক্রম পরিচালনাকারী শীর্ষস্থানীয় জার্মান কোম্পানিও ছিল।

বিজিসিসিআইয়ের সভাপতি মো. রোকনুজ্জামান, এফসিএর স্বাগত বক্তব্যের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠানটি শুরু হয়। এরপর বিজিসিসিআইয়ের জ্যেষ্ঠ সহ-সভাপতি জনাব ফারুক খান একটি উপস্থাপনা তুলে ধরেন। এতে বাংলাদেশ ও জার্মানির মধ্যে ব্যবসায়িক সম্পর্ক জোরদারের লক্ষ্যে চেম্বারের বিভিন্ন কার্যক্রম ও উদ্যোগ তুলে ধরা হয়।

এরপর রাষ্ট্রদূত একটি উপস্থাপনার মাধ্যমে জার্মানিতে অবস্থিত বাংলাদেশ দূতাবাসের বিভিন্ন উদ্যোগ তুলে ধরেন। এসব উদ্যোগের লক্ষ্য হলো বিনিয়োগকারীদের আস্থা সুদৃঢ় করা এবং জার্মান বিনিয়োগের জন্য বাংলাদেশকে একটি আকর্ষণীয় গন্তব্য হিসেবে তুলে ধরা। এছাড়া তিনি বাংলাদেশের বাজারে জার্মান ব্যবসার উপস্থিতি আরও সম্প্রসারণ এবং কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ খাতে বাংলাদেশ থেকে পণ্য রপ্তানির সুযোগ-সুবিধার বিষয়েও বিশেষভাবে আলোকপাত করেন।

রাষ্ট্রদূত জার্মানির কাছে বাংলাদেশের ক্রমবর্ধমান কৌশলগত গুরুত্বের ওপর জোর দেন এবং উভয় দেশের মধ্যে আরও শক্তিশালী অর্থনৈতিক সহযোগিতার সুযোগগুলো তুলে ধরেন। এছাড়া জাতিসংঘে বাংলাদেশের প্রার্থিতার প্রতি জার্মান সরকারের সমর্থনের জন্য তিনি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।

আলোচনায় দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য সম্প্রসারণ, বাংলাদেশি ও জার্মান কোম্পানিগুলোর মধ্যে শক্তিশালী অংশীদারত্ব গড়ে তোলা এবং বাংলাদেশে জার্মান বিনিয়োগ বৃদ্ধির ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়। অংশগ্রহণকারীরা যৌথ উদ্যোগ, প্রযুক্তিগত সহযোগিতা, ব্যবসায়িক সংযোগ স্থাপন এবং জার্মানি ও বৃহত্তর ইউরোপীয় বাজারে প্রবেশাধিকারের সুযোগ-সুবিধা নিয়ে পর্যালোচনা করেন।

পোশাক, জ্বালানি এবং তথ্যপ্রযুক্তি ও ডিজিটাল সেবার মতো প্রতিষ্ঠিত খাতগুলোর পাশাপাশি সেমিকন্ডাক্টর প্যাকেজিং, ইনভার্টার প্রযুক্তি এবং সোলার প্যানেল-সংক্রান্ত প্রযুক্তির মতো সহযোগিতার নতুন ক্ষেত্রগুলোর ওপরও বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়।

অংশগ্রহণকারীরা এসব সুযোগকে সুনির্দিষ্ট বাণিজ্যিক অংশীদারত্বে রূপান্তরের লক্ষ্যে নিয়মিত ব্যবসায়িক প্রতিনিধিদল প্রেরণ, বিটুবি (B2B) ম্যাচমেকিং, বাণিজ্য মেলা, বিনিয়োগ-সহায়ক কার্যক্রম এবং শক্তিশালী প্রাতিষ্ঠানিক সহযোগিতার ওপরও গুরুত্বারোপ করেন।

বিজিসিসিআই এবং বার্লিনে অবস্থিত বাংলাদেশ দূতাবাস দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য বৃদ্ধি, ব্যবসায়িক অংশীদারত্ব সহজতর করা এবং বাংলাদেশে জার্মান বিনিয়োগ উৎসাহিত করার লক্ষ্যে ঘনিষ্ঠ যোগাযোগ বজায় রাখার পাশাপাশি বাস্তবসম্মত উদ্যোগ গ্রহণের প্রচেষ্টা অব্যাহত রাখবে।

এই আলোচনা বাংলাদেশ ও জার্মানির মধ্যে আরও শক্তিশালী, বৈচিত্র্যময় ও পারস্পরিকভাবে লাভজনক অর্থনৈতিক সম্পর্ক গড়ে তোলার ক্ষেত্রে উভয় পক্ষের অভিন্ন আগ্রহকে পুনর্ব্যক্ত করেছে।



কমেন্ট বক্স

এ জাতীয় আরো খবর

সর্বশেষ সংবাদ